মানিকগঞ্জের ঐতিহ্যবাহী হাজারী গুড়-1kg

(2 customer reviews)
আমাদের প্রডাক্টের বৈশিষ্ট্য
  • Premium Quality
  • Secure Payments
  • Satisfaction Guarantee
  • Money Back Guarantee

Original price was: 2,100.00৳ .Current price is: 1,999.00৳ .

মানিকগঞ্জের হাজারী গুড় চাহিদার তুলনায় খুব সামান্য তৈরি হয়। তাই আগে অর্ডার করলে আগে পাবেন ইনশাআল্লাহ

আমাদের রিভিউ দেখুন

আসুন জেনে নেই কেন এই গুড় এত আলাদা?

নির্দিষ্ট মানের খেজুর গাছের প্রথম দিকের রস ব্যবহার করা হয়
রস সাধারণত ভোরের আগেই সংগ্রহ করা হয়
স্বাভাবিক হালকা বাদামি থেকে গাঢ় সোনালি রং
খুব মসৃণ ও চকচকে
দেখতে (শক্ত) গোলাকৃতির হলেও হাতের চাপে ভেঙে গুড়ো করা যায়।
প্রাকৃতিক খেজুরের সুগন্ধ স্পষ্ট
সাধারণত ১০০% খাঁটি ও প্রাকৃতিক
খনিজ ও প্রাকৃতিক উপাদান বেশি থাকে
মান ভালো হওয়ায় দাম তুলনামূলক বেশি
উপহার ও প্রিমিয়াম পণ্য হিসেবে জনপ্রিয়

অর্ডার করতে নিচের Add to Cart বাটনে ক্লিক করুন।

অর্ডার করুন

খেজুরের রস জ্বাল দিয়ে ধীরে ধীরে তৈরি হয় গুড়। হাতে নিয়ে চাপ দিলে এই গুড় গুড়ো হয়ে যায়। জিভে নিলেই মিঠা স্বাদ আর গন্ধের এই গুড় জানান দেয় কেন এর সু্খ্যাতি দেশজোড়া।

এটিই মানিকগঞ্জের হাজারি গুড়।

শুধু দেশেই নয়, মানিকগঞ্জের হাজারি গুড়ের খ্যাতি ছড়িয়েছে বিদেশেও। এই গুড়ের নামেই জেলার ব্র্যান্ডিং করা হয়েছে ‘হাজারি গুড়  মানিকগঞ্জের আসল প্রাণ।

এই গুড় প্রবাসী বাংলাদেশিরা কিনে বিভিন্ন দেশে নিয়ে যান। এ ছাড়া, বিভিন্ন মাধ্যমে দেশের বাইরে এই গুড় যায় বলে জানান কারিগররা।

৩৫০ বছরের ঐতিহ্যবাহী এই হাজারি গুড় উৎপাদন হয় মানিকগঞ্জের হরিরামপুর উপজেলার গোপীনাথপুর উত্তরপাড়া ও ঝিটকা এলাকায়।

সুস্বাদু হাজারি গুড় কীভাবে তৈরি হয় তা আমরা ছোটবেলা থেকেই দেখে বড় হয়েছি আমাদের বাড়ি ঐ এলাকায় হওয়ার কারণে।

ভোড় বেলা ঘাসের উপর কুয়াশা মারিয়ে গাছিরা চলে যায় খেজুর গাছ থেকে ভোরের রস নামোতে। রস এনে, জ্বলন্ত মাটির চুলার ওপর চারকোণা স্টিলের পাত্রে খেজুর গাছের রস ঢালা হচ্ছে। একজন চুলায় জ্বাল দিচ্ছেন আর অন্য দুজন পাত্রের রস নাড়ছেন। ২০-২৫ মিনিট ধরে পাত্রে জ্বাল দেওয়া রসের ঘনত্ব যখন কিছুটা বেড়ে যায়, তখন হালকা খয়েরি রঙ নেয়। এভাবে প্রায় ২/৩ ঘন্টা টানা জ্বাল দেওয়ার পর রঙ পরিবর্তন হয় এবং এর ঘনত্ব বেড়ে যায়। তারপর জ্বাল দেওয়া রস মাটির পাত্রে ঢালা হয়। এরপর তারা সেই জ্বাল হওয়া রসকে বাঁশের কাঠি দিয়ে সজোরে নাড়তে থাকেন। এতে রসের ঘনত্ব বাড়তে থাকে এবং কিছুটা সাদা রঙ ধারণ করে। এভাবে ১০-১৫ মিনিট ধরে নাড়ার পর তা ঘরের মেঝেতে রাখা ছোট ছোট পাত্রে ঢালা হয়। এরপর বিশেষ এই গুড়ে হাজারি সিল বসানো হয়। এভাবেই তৈরি হয় ঐতিহ্যবাহী হাজারি গুড়।

গুড় বানানোর কারিগর বলেন, ‘হাতে নিয়ে এই গুড় চাপ দিলে গুড়ো হয়ে যায়। জিভে দিলেই গলে যায়। স্বাদে অতুলনীয়। ১০ থেকে ১২ কেজি রসে এক কেজি হাজারি গুড় হয়। এ গুড়ের বেশ চাহিদা। তবে খেজুর গাছ কমে যাওয়ায় রস সংগ্রহ ও গুড় তৈরি কমে গেছে। এ ছাড়া, জ্বালানি সংকটের কারণে উৎপাদন খরচও বেড়ে গেছে। এ কারণে এই গুড়ের দাম সাধারণ মানুষের ক্রয় ক্ষমতার বাইরে চলে গেছে।’

রস জ্বাল দেওয়া হচ্ছে

ঝিটকা শিকদার পাড়ার ষাটোর্ধ রহিজ উদ্দিন হাজারি বলেন, ‘হাজারি প্রামাণিক ছিলেন আমার পূর্বপুরুষ। আমি হাজারি প্রামাণিকের সপ্তম বংশধর। প্রায় ৩৫০ বছর আগে ঝিটকা শিকদার পাড়ার হাজারি প্রামাণিক এই খেজুর গুড় তৈরি করেছিলেন বলে শুনেছি। সেই থেকে এই গুড়ের নাম হয়ে যায় হাজারি গুড়। এই গুড় দেশের আর কোথাও হয় না।’

তিনি বলেন, ‘একসময় শতাধিক পরিবার এই গুড় তৈরি করতো। এখন ২০ থেকে ২৫টি পরিবার এই গুড় উৎপাদনের সঙ্গে যুক্ত। শীত এলে প্রায় প্রতিটি বাড়িতেই পিঠা-পায়েস তৈরি হয়। এ সময়টাতে খেজুরের রস ও গুড়ের চাহিদা, বিশেষ করে হাজারি গুড়ের চাহিদা বেড়ে যায়।’

হাজারী গুড় প্রস্তুত করা হচ্ছে

জেলার খান বাহাদুর আওলাদ হোসেন খান কলেজের সহকারী অধ্যাপক সাইফুদ্দীন আহমেদ নান্নু বলেন, মূলত হাজারি পরিবারের সদস্যরাই এই গুড় উৎপাদন করত। তাদের দেখে আশেপাশের অন্যান্যরাও এই গুড় তৈরি শুরু করেছিল। তবে এই গুড় তৈরিতে খরচ বেশি ও জটিল প্রক্রিয়ার কারণে তারা আর এটিতে খুব বেশি নেই। হাজারি পরিবারের সদস্যরাই এটি টিকিয়ে রেখেছেন।

ঐতিহ্যবাহী এই গুড়ের উৎপাদন বাড়াতে এবং এর গুণগত মান বজায় রাখতে খেজুর গাছ রোপণ ও গুড় তৈরির কারিগরদের প্রশিক্ষণ দেওয়ার উদ্যোগ গ্রহণ করেছে জেলা প্রশাসন।

জেলা প্রশাসক রেহেনা আকতার ডেইলি স্টারকে বলেন, ‘ঐতিহ্যবাহী হাজারি গুড় শুধু মানিকগঞ্জের হরিরামপুরেই তৈরি হয়। এ গুড়ের উৎপাদন বাড়াতে উপজেলায় ৫ লাখ খেজুর গাছ রোপণের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। ইতোমধ্যে উপজেলার বিভিন্ন সড়কের পাশে ৫ শতাধিক খেজুর গাছ রোপণ করা হয়েছে। এ ছাড়া, এ গুড়ের গুণগত মান বজায় রাখতে গুড় তৈরির কারিগরদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থাও গ্রহণ করা হয়েছে। হরিরামপুর উপজেলাকে হাজারি গুড় পল্লী হিসেবে গড়ে তোলা হবে।’

নির্দিষ্ট সাইজের ছাচে গুড় ঢালা হচ্ছে

এভাবে গোল আকৃতির সাচে ঢেলে রাখার কিছুক্ষণ পর ঠান্ডা হয়ে জমাট বেধে তৈরি হয়ে যায় হাজারী গুড়/খেজুর পাটালী গুড় (হাজারী)

 

বিশেষ বৈশিষ্ট্যঃ

স্বাদ ও গন্ধে অনন্য: এই গুড় জিভে নিলেই মিঠা স্বাদ ও বিশেষ সুগন্ধ প্রকাশ করে, যা এর খ্যাতি ও জনপ্রিয়তার কারণ।
অনন্য প্রস্তুতি পদ্ধতি: এটি খেজুরের রস থেকে ধীরে ধীরে তৈরি হয় যা স্বাদ ও মানে উন্নত।
খুব সহজে গুঁড়ো হয়ে যায়: হাতে নিয়ে চাপ দিলেই এটি গুড়ো হয়ে যায়, যা এর খাঁটি ও মানসম্মত প্রস্তুতির পরিচায়ক।

ফাইনালি এটাই হলো বিখ্যাত সেই হাজারী গুড়।

আমাদের ফেইসবুক পেইজ এখানে ক্লিক করুন।

 

পরিমাণ

১ কেজি

2 reviews for মানিকগঞ্জের ঐতিহ্যবাহী হাজারী গুড়-1kg

  1. wamita islam

    কবে থেকে পাওয়া যাবে?

  2. Engr. Jahirul Islam

    আজকে ৪ কেজি হাজারী গুড় পেলাম। আলহামদুলিল্লাহ এত ভালো আর সুঘ্রাণ। প্যাকেট খুলতেই ঘ্রাণ পাওয়া যায়। খেতেও অসাধারণ মজা

Add a review

Your email address will not be published. Required fields are marked *